শিরোনাম
আলাউদ্দিন বেলাল: | ০৮:২২ পিএম, ২০২৫-০৫-০৮
জুলাই ২০২৪-এ দেশের ইতিহাসে ঘটে যাওয়া গণআন্দোলনের বিরুদ্ধে যারা ভয়াবহ পুলিশী নৃশংসতা চালিয়েছিল, তাদের অন্যতম ছিলেন খোরশেদ আলম। তিনি পুলিশ সুপার হিসেবে বহাল তবিয়তে পুলিশ হেডকোয়ার্টোরে কর্মরত রয়েছেন।অথচ এই খোরশেদ আলম ছিলেন ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি এবং ছাত্র রাজনীতির পরিচিত ক্যাডার।
একাধিক সূত্র জানিয়েছে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে তার এই পদোন্নতি শুধু বিতর্কিত নয়, বরং এটি গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের ওপর সরাসরি আঘাত। তার নেতৃত্বে উত্তরা, বাড্ডা, ধানমণ্ডিসহ বিভিন্ন এলাকায় শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। যার ফলে বহু মানুষ প্রাণ হারায়। তিনি শুধু প্রশাসনিক ক্ষমতা নয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও সহিংসতার উস্কানি দিয়েছিলেন।
তার এক পোস্টে লেখা ছিল— "আইডি চেক করে আনফ্রেন্ড করা কষ্টকর। রেড কার্ড হোল্ডারদের লাল কার্ড দেখাইয়া ফেইসবুকের মাঠ থেকে বের করে দিচ্ছি।" এই বক্তব্য ছিল রাজনৈতিক মতাদর্শের ভিত্তিতে লোকজনকে হেনস্তা ও হুমকি দেয়ার স্পষ্ট ইঙ্গিত, যা একজন সরকারি কর্মকর্তার জন্য একেবারেই অগ্রহণযোগ্য।
রাতারাতি ভোল পাল্টে খোরশেদ আলমের ছাত্রলীগ-সম্পর্কিত অতীতও এখন মুছে ফেলতে চাইছেন। আগস্টের আগে তার প্রোফাইলে থাকা সকল ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্ট পোস্ট ডিলেট করে দিয়েছেন। যা প্রমাণ করে তিনি এখন নিজের অতীত গোপন করে পুলিশের ভেতর থেকে প্রভাব বিস্তারে সক্রিয় করছেন। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে— এই ছাত্রলীগ ক্যাডার এখনো কীভাবে পুলিশের চাকরিতে বহাল রয়েছে। কী তার নেপথ্য রহস্য !
উল্লেখ্য, খোরশেদের ঘনিষ্ঠ বন্ধু সিদ্দিকী নাজমুল আলম, ছাত্রলীগের সাবেক সেক্রেটারি, ২৯ মার্চ ২০২৪ তারিখে ফেসবুকে খোরশেদের সঙ্গে এক ইফতারের ছবি পোস্ট করে লেখেন— "বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস এসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার জামালপুর রিক্রিয়েশন ক্লাবে বন্ধু খোরশেদ এর সাথে আজকের ইফতার।" এই বন্ধুত্ব ও ক্ষমতার যোগসূত্রই খোরশেদের পদোন্নতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
সংশ্লিষ্ট ওয়াকিবহাল মহলের মতে, পতিত আওয়ামী সরকারের পদলেহী দোসর এই পুলিশ কর্মকর্তা এমন একজন যার দু’হাতে লেগে আছে গণহত্যায় হতাহতদের তাজা লাল রক্ত।,
যিনি একজন রাজনৈতিক দলের সাবেক সহ-সভাপতি ও প্রকাশ্য ছাত্রলীগ ক্যাডার। তাকে রাষ্ট্রপতির আদেশে পুলিশের উচ্চপদে বসানো একটাই অর্থ দেশের জনগণের রক্তের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা। খোরশেদ আলমের মতো ব্যক্তিদের পদোন্নতি মানে গণতন্ত্র হত্যার পুরস্কার দেওয়া। দেশের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলার প্রতি জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অবিলম্বে এই ছাত্রলীগ ক্যাডার খোরশেদ আলমকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি সময়ের দাবী।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : অভিজ্ঞ ব্যাংকার মিজ মেহের সুলতানা পদোন্নতি পেয়ে বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশনের (বিএ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট। সারা ভারত যখন স্বাধীনতার আনন্দে মেতে উঠেছে, তখন মুর্শিদাবাদের মানুষের কাছে স...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক :: : ইসলামী ব্যাংককে ঘিরে অস্থিরতা কোনোভাবেই কমছে না। গত রোববার আবারও ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যাল...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি : কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন (২২ বিজিবি) সীমান্ত এলাকায় পরিচালিত বিশেষ ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে দুই মাস দায়িত্ব পালনের পর এবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচিত স...বিস্তারিত
চট্টগ্রাম ব্যুরো : : চট্টগ্রাম নগরের ফয়’স লেক চিড়িয়াখানার প্রবেশমুখে অবস্থিত একটি আবাসিক হোটেল থেকে মোহাম্মদ রিপন ও...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited